সমাজে অন্যায়, অবিচার, জুলুম ও দুর্নীতি আজ মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছাড়া আর কোনো বিকল্প শক্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহাম্মদ আনোয়ারী।
তিনি বলেন, জনগণের হৃদয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক গভীরভাবে জায়গা করে নিয়েছে, ভয়-ভীতি, মামলা কিংবা ষড়যন্ত্র দিয়ে জামায়াতের অগ্রযাত্রাকে থামানো যাবে না।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট ২০২৫) বিকেল ৩টায় উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন ও সমাবেশ ফারিরবিল আলীম মাদ্রাসার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক ইউপি সদস্য ডা. মাওলানা কবির আহাম্মদ। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন আব্দুল্লাহ আল নোমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা আমীর বলেন,“আগামী দিনে দাঁড়িপাল্লার বিকল্প কিছু নেই। জনগণের হৃদয়ে দাঁড়িপাল্লা গভীরভাবে স্থান করে নিয়েছে। ভয়-ভীতি, মিথ্যা মামলা কিংবা হামলা দিয়ে জামায়াতের অগ্রযাত্রাকে ঠেকানো সম্ভব নয়।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নুরুল হোসাইন সিদ্দিকী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল হক, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাস্টার খায়রুল বশর, ইউনিয়ন আমীর আবুল আলা রোমান, সাবেক ছাত্রনেতা ও শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ শাহাজান।ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ফরিদুল আলম চৌধুরী, ৯ নং ভোট কেন্দ্রভিত্তি সভাপতি আতাউর রহমান মিন্টু।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আবুল হোসেন, বিএম সেক্রেটারি আব্দুস সাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক মৌলানা জাহাঙ্গীর আলম,
কর্মপরিষদ সদস্য মৌলানা রফিকুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাজান, ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ হারেস, ৮ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা জিয়াউল হক, ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা হাফেজ আয়ুব,, পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি মাস্টার মোহাম্মদ আমিন, জামায়াত নেতা মাস্টার মোক্তার আহাম্মদ, যুবনেতা সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতা–কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
স্বানীয় বক্তারা বলেন, উখিয়া–টেকনাফে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তা অভূতপূর্ব। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ এ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। এ গণআন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতে প্রত্যেক নেতা–কর্মীকে ধৈর্য, সাহস ও কর্মদক্ষতা নিয়ে মাঠে থাকার আহ্বান জানান তারাঁ।
