চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফতেয়াবাদ পল্লী সংগঠন সমিতির উদ্যোগে ৯০ তম বর্ষ পূর্তিতে মহাষষ্ঠীতে পূজার শুভারম্ভের মধ্য দিয়ে মহাসমারোহে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৫।
“দূর্গে দূর্গে দুর্গতিনাশিনী” শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে ফতেয়াবাদের পূজা মণ্ডপ। দেবী দুর্গার আরাধনায় এবারও আয়োজন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য কর্মসূচির।
পূজা পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, প্রতিবছরের মতো এবারও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে পূজামণ্ডপ হবে ভক্তি, সৌহার্দ্য ও মিলনের কেন্দ্রস্থল। ইতোমধ্যে পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ফতেয়াবাদ পল্লী সংগঠন সমিতির সভাপতি কল্যাণ পাল ও সঞ্চালনায় নটরাজ চৌধুরী।
মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও আশীর্বাদক প্রদান করবেন ফতেয়াবাদ রামকৃষ্ণ মিশনের তত্ত্বাবধায়ক স্বামী পূর্ণব্রতানন্দ মহারাজ।
উদ্বোধক হিসেবে থাকবেন বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ অরুণ পাল।
প্রধান অতিথি: মৃণাল কান্তি সূত্রধর, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিটিজেনস ব্যাংক পিএলপি, চৌধুরীহাট শাখা।
বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ জুয়েলারী সমিতির সভাপতি যীশু বণিক,বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক লায়ন মাস্টার অশোক কুমার নাথ,চট্টগ্রাম নাথ ট্রাস্ট সমিতির সহসভাপতি লিটন মহাজন,শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, হাটহাজারী শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিকু শীল,পশ্চিম শিকারপুর যুবক সন্মিলনী সমিতির সাধারণ সম্পাদক টিটু তালুকদার,
সাংবাদিক বাবলু দাশ, উপদেষ্টা বিশ্বনাথ চৌধুরী, উজ্জ্বল পাল, অঞ্জন দাশ গুপ্ত, শ্রীমান কান্তি ঘোষ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক লিটন পালিত,
অধ্যাপক বিকাশ নন্দী, রাজীব মজুমদার পরিষদের সদস্য বৃন্দ।
দুর্গাপূজা পরিচালনা পরিষদের দায়িত্বে রয়েছেন আহ্বায়ক মূখেশ নন্দী (রুবেল), যুগ্ম আহ্বায়ক শান্তুনু ভট্টাচার্য্য, সচিব প্রসেনজিৎ চৌধুরী, যুগ্ম সচিব সঞ্জয় শীল, সদস্য জিসান চৌধুরী, রুমেন নন্দী, নিপু বিশ্বাস,জিকু শীল, নোবেল সুর, জনি শীল, অর্ক, দ্রুব, শৈবাল, দেবরাজ, অন্যান্যরা।
উৎসবের বিশেষ আয়োজন
আলোচনা সভা,বস্ত্র বিতরণ,চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,নাটিকা ও বোধন উৎসব।
পূজা পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এ দুর্গোৎসব ভ্রাতৃত্ব, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠবে।
হাজারো ভক্ত-অনুরাগীর উপস্থিতিতে পূজামণ্ডপ ইতোমধ্যেই রূপ নিয়েছে মহামিলনমেলায়। ভক্তরা দেবী দুর্গার চরণে শান্তি, সুখ ও কল্যাণের প্রার্থনা করছেন। বিজয়া দশমীর পূজা-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
