শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
মঙ্গলবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উপকূলীয় এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা প্রদান, ধর্মীয় উপাসনালয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সর্বসাধারণের জান-মাল রক্ষায় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এরই ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনায় উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত হিন্দু ধর্মালম্বীদের মহোৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ধর্মীয় উপাসনালয়সহ পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করে আসছে কোস্ট গার্ড। উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলসমূহের মধ্যে ৫৬টি পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন।
দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে যেকোনো ধরনের নাশকতা থেকে জনগণের জানমাল এবং উপাসনালয় রক্ষা করা ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছি আমরা। পাশাপাশি পূজা মণ্ডপে আগত ভক্তদের যাতায়াত সহজতর করতে আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বিশেষ টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও পূজাকালীন সময়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যেকোনো ধরনের দূর্ঘটনা এড়াতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করাসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে।
প্রতিমা বিসর্জনের সময় দুর্ঘটনা এড়াতে বোটে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী না তোলা, বোটে অবস্থানকালে সকলকে লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার এবং সাঁতার না জানা ব্যক্তিকে বোটে না তোলার বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা (মাইকিং) চালানো হচ্ছে। পানিতে ডুবে যাওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবিলায় আমাদের ডুবুরি দল ও উদ্ধার-পরবর্তী চিকিৎসা প্রদানের জন্য মেডিক্যাল টিম সর্বদা প্রস্তুত আছে। এছাড়াও আমরা অনুরোধ করবো যেকোন জরুরি প্রয়োজনে আমাদের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করে সেবা নিন।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই দেশের শান্তিপ্রিয় হিন্দু জনগোষ্ঠী সকলেই তাদের ধর্মীয় উৎসবটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরাপদে উদযাপন করুক।
