চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের দীর্ঘ ৫ কিলোমিটারের চরলক্ষ্যা কালারপোল শাখা খালটি অবৈধ গরুর খামারের বর্জ্যের ফলে দিন দিন ভরাট হয়ে যাওয়ার দরুন নষ্ট হচ্ছে কৃষি জমি। খালটি এলাকার ৩০০ একরেরও বেশি কৃষি জমির একমাত্র সেচ মাধ্যম হলেও সরকারি নজরদারি না থাকার ফলে কৃষক সমাজ কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এসব উর্বর কৃষি জমিতে এখন গরুর গো খাদ্য ধলক্ষেত চাষাবাদ হচ্ছে। এর ফলে একদিকে কৃষক হারাচ্ছে মূলধন এবং সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
এ বিষয় নিয়ে দিলেন কর্ণফুলী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শারমিন সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে এ বিষয় নিয়ে কোন অভিযোগ আসে নি বা তথ্য নেই। অভিযোগ পাওয়া গেলে আমরা ব্যবস্হা নেবো।
এদিকে এ বিষয় নিয়ে চরলক্ষ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে অবৈধ গরুর খামারের বর্জ্য ফেলার ফলে খালটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে এবং নদী দূষিত হয়ে ওঠেছে। এরফলে এলাকাবাসী চাষাবাদ করতে পারছে না। আমরা অনেকবার এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে জানালেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তিনি অবিলম্বে খালটি রক্ষার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন
এদিকে পরিবেশ সংগঠন গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব স ম জিয়াউর রহমান জানান, খালটি সংস্কার করতে হবে জরুরি ভিত্তিতে। আমরা আগামী ১৭ অক্টোবর শুক্রবার খালটি সংস্কার ও উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি দিয়েছি এবং পরবর্তীতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমরা চাই খালটি সংস্কার ও উদ্ধার পূর্বক এলাকার কৃষকরা অবাধে চাষাবাদের সুযোগ যেন পায়।
স্হানীয় জনসাধারণও খালটি সংস্কার ও উদ্ধারের দাবি জানান এবং অবৈধ গরুর খামারের নিয়ন্ত্রণ করারও জোর দাবি জানান।
